• Latest
  • Trending
  • All
গুমের পর লাশও গুম: চেতনানাশক ছাড়াই, ঠোঁট সেলাই করে দেওয়া হতো

গুমের পর লাশও গুম: চেতনানাশক ছাড়াই, ঠোঁট সেলাই করে দেওয়া হতো

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৪

ফান তেল

এপ্রিল ২, ২০২৬

ভিডিও করায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় পাঠালেন এসিল্যান্ড

এপ্রিল ২, ২০২৬
তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ।

তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ।

এপ্রিল ২, ২০২৬
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির দাবি ফের নাকচ করল ইরান

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির দাবি ফের নাকচ করল ইরান

এপ্রিল ২, ২০২৬
সংসদে বিরল নজির, সরকারি দলের এমপির মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ

সংসদে বিরল নজির, সরকারি দলের এমপির মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ

এপ্রিল ২, ২০২৬

সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট

এপ্রিল ১, ২০২৬

আওয়ামী লীগ আমলে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী

এপ্রিল ১, ২০২৬
রাহুলের মৃত্যুতে মীরের বিস্ফোরক মন্তব্য: ‘ঘেন্নায় আর বেরোলাম না’।

রাহুলের মৃত্যুতে মীরের বিস্ফোরক মন্তব্য: ‘ঘেন্নায় আর বেরোলাম না’।

মার্চ ৩১, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে হাজারো মার্কিন প্যারাট্রুপার, বাড়ছে যুদ্ধের দামামা।

মধ্যপ্রাচ্যে হাজারো মার্কিন প্যারাট্রুপার, বাড়ছে যুদ্ধের দামামা।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কেক নয়, চেন্নাইয়ের বোলারদের পিটিয়েই বার্থডে পার্টি সারলেন সূর্য!

কেক নয়, চেন্নাইয়ের বোলারদের পিটিয়েই বার্থডে পার্টি সারলেন সূর্য!

মার্চ ৩১, ২০২৬
বড়কে বিয়ে করায় ঘরছাড়া, বিচ্ছেদের পর পুরনো বন্ধুকেই জীবনসঙ্গী করলেন সুনিধি

বড়কে বিয়ে করায় ঘরছাড়া, বিচ্ছেদের পর পুরনো বন্ধুকেই জীবনসঙ্গী করলেন সুনিধি

মার্চ ৩১, ২০২৬
ইরানি প্রতিনিধিরা আগের চেয়ে ‘অনেক বেশি যৌক্তিক’: হোয়াইট হাউস

ইরানি প্রতিনিধিরা আগের চেয়ে ‘অনেক বেশি যৌক্তিক’: হোয়াইট হাউস

মার্চ ৩১, ২০২৬
  • আইটি
  • প্রবাস
  • স্বাস্থ্য
  • ইসলামি জীবন
  • গ্রামবাংলা
  • সম্পাদকীয়
বৃহস্পতিবার, মে ৭, ২০২৬
  • Login
দ্য রিপাবলিক বাংলা
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ সংবাদ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • সারাদেশ
  • বানিজ্য
  • নগর-মহানগর
  • অপরাধ
No Result
View All Result
দ্য রিপাবলিক বাংলা
No Result
View All Result
Home জাতীয়

গুমের পর লাশও গুম: চেতনানাশক ছাড়াই, ঠোঁট সেলাই করে দেওয়া হতো

by The Republic Bangla
ডিসেম্বর ১৬, ২০২৪
in জাতীয়, সর্বশেষ
0
গুমের পর লাশও গুম: চেতনানাশক ছাড়াই, ঠোঁট সেলাই করে দেওয়া হতো

গুমপ্রতীকী। ছবি

0
SHARES
1
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

বিশেষ প্রতিবেদক:

২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত গুমের ঘটনাগুলো তদন্ত করতে অন্তর্বর্তী সরকার গত ২৭ আগস্ট কমিশন গঠন করে। এই কমিশন ১ হাজার ৬৭৬টি জোরপূর্বক গুমের অভিযোগ পেয়েছে। এর মধ্যে ৭৫৮টি অভিযোগ পর্যালোচনা করেছে তারা। কমিশন এখন পর্যন্ত যে ৭৫৮ জনের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করেছে, তার মধ্যে ৭৩ শতাংশ ভুক্তভোগী ফিরে এসেছেন। বাকি ২৭ শতাংশ (অন্তত ২০৪ জন) এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
কমিশন প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে যাঁরা ফিরে এসেছেন, তাঁদের অনেককে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, অস্ত্র আইন, বিস্ফোরকদ্রব্য আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইন অথবা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, চারটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে এমন সব ঘটনাকে গুম হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে কমিশন। সেগুলো হলো ভুক্তভোগীর স্বাধীনতা হরণ; ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রীয় বাহিনী বা কর্তৃপক্ষের সম্পৃক্ততা অথবা তাদের প্ররোচনা থাকা; বন্দীর অবস্থান সম্পর্কে তার পরিবারকে না জানানো এবং ভুক্তভোগীকে কোনো আইনি সুরক্ষা না দেওয়া।
প্রতিবেদনে অপহরণ, আটক, নির্যাতন, হত্যা ও মুক্তি—এই পাঁচ ভাগে গুমের ঘটনাগুলোর কথা বলা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, র‌্যাব, পুলিশ, ডিবি, সিটিটিসি, ডিজিএফআই ও এনএসআই—এই গুমের

ঘটনাগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত। সাধারণত সাদাপোশাকে ভুক্তভোগীদের তুলে নেওয়া হতো এবং নিজেদের পরিচয় গোপন করার জন্য এক সংস্থা আরেক সংস্থার নাম ব্যবহার করত। গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের কাউকে কাউকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিনিময় করার তথ্যও র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যের মাধ্যমে পেয়েছে তদন্ত কমিশন। সুখরঞ্জন বালি এবং বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমদকে গুমের পর ভারতে স্থানান্তরের ঘটনা কমিশনের প্রতিবেদনে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

গুমের ঘটনায় নির্দেশদাতা হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে কমিশন। এ ছাড়া হাসিনা প্রশাসনের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার গুমের ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান এবং পুলিশ কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

যেভাবে গুম করা হতো
প্রতিবেদনে বলা হয়, যাঁকে গুম করা হতো, প্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান আগেই জেনে নেওয়া হতো। ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ন্যাশনাল মনিটরিং সেন্টার (এনএমসি) এবং পরবর্তী সময়ে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) মোবাইলে নজরদারি পরিচালনা করত বলে কমিশনের প্রতিবেদনে উঠে আসে।
কমিশন বলেছে, গুমের ঘটনাগুলোতে জড়িত বিভিন্ন সংস্থা ও বাহিনীর সদস্যরা কখনো নিজেদের ‘প্রশাসনের লোক’ হিসেবে পরিচয় দিতেন। পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) অভিযান চালিয়ে নিজেদের র‍্যাব বলে দাবি করত। আবার র‍্যাব (র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন) নিজেদের ডিজিএফআই হিসেবে পরিচয় দিত—এমন ঘটনাও ঘটেছে। সাধারণত গুম বা অপহরণের ঘটনাগুলো ঘটত রাতে। ভুক্তভোগীকে বাড়ি বা সড়ক থেকে জোরপূর্বক গাড়িতে (মাইক্রোবাস) তুলে নেওয়া হতো। এরপর চোখ বাঁধা হতো এবং হাতকড়া পরানো হতো। ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটত যে আশপাশে থাকা মানুষ বুঝতেও পারত না যে কাউকে অপহরণ করা হয়েছে।

নির্যাতনের বর্ণনা
গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের অন্তর্বর্তী প্রতিবেদনে নির্যাতন ও হত্যার কয়েকটি ঘটনার ভয়াবহ বর্ণনা উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, আটকের পর ভুক্তভোগীদের সাধারণত গোপন অন্ধকার কক্ষে রাখা হতো এবং সেখানেই তাঁদের ওপর নানা ধরনের নির্যাতন চালানো হতো। কয়েকজন ভুক্তভোগীর সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে কমিশন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে এমন আটটি গোপন বন্দিশালার সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে। যেগুলো ডিজিএফআই, র‍্যাব, কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট পরিচালনা করত।
নির্যাতনের একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সালে ঢাকার ধানমন্ডি থেকে র‍্যাব এক যুবককে অপহরণ করে কোনো চেতনানাশক ছাড়াই তাঁর ঠোঁট সেলাই করে দেয়। গুম করে অনেককে হত্যা করার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে কমিশন। এ ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় মাথায় গুলি করে মেরে ফেলা হতো। লাশ সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হতো। যেসব নদীতে লাশ গুম করা হতো, তার মধ্যে রয়েছে বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা। নদীতে লাশ ফেলার জন্য ঢাকার পোস্তগোলা ও কাঞ্চন ব্রিজ ব্যবহার করা হতো।
র‌্যাবে কর্মরত একজনের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এক ভুক্তভোগী নদীতে ঝাঁপিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। পরে তাঁকে উদ্ধারের পর সেখানেই গুলি করে হত্যা করা হয়। আরেকটি ঘটনার বর্ণনায় বলা হয়, একটি লাশ ছিন্নবিচ্ছিন্ন করতে রেললাইনের ওপর ফেলে রাখা হয়েছিল। আরেকটি ঘটনায় তুলে নেওয়া এক ব্যক্তিকে সড়কে চলন্ত গাড়ির সামনে ধাক্বা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। তবে গাড়িটি পাশ কেটে চলে যাওয়ায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান।
একটি ব্রিজের ওপর দুজন ভুক্তভোগীকে গুলি করে হত্যার ঘটনা র‍্যাবের একটি ‘ওরিয়েন্টেশন’ অনুষ্ঠানে দেখানো হয়েছে—এমন তথ্য কমিশনকে জানিয়েছেন এক সাক্ষী।
গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলছে, গুমের ঘটনাগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা অনেক সময় জানতেনও না তাঁরা কাকে এবং কেন হত্যা বা নির্যাতন করছেন। এক দল কোনো ব্যক্তিতে তুলে আনত, অন্য দল তাঁকে বন্দিশালায় আটকে রাখার কাজ করত এবং তৃতীয় দল ওই ব্যক্তিকে হত্যা করত বা মুক্তি দিত।

Tags: চেতনানাশকঠোঁট সেলাইলাশও গুম
ShareTweet
Previous Post

স্মৃতিসৌধে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল

Next Post

সারদায় প্রশিক্ষণার্থী ২৫ এএসপিকে শোকজ

The Republic Bangla

The Republic Bangla

Next Post
সারদায় প্রশিক্ষণার্থী ২৫ এএসপিকে শোকজ

সারদায় প্রশিক্ষণার্থী ২৫ এএসপিকে শোকজ

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফটো গ্যালারী

শামা ওবােয়দ ইসলাম
Currently Playing

Could Cristiano Ronaldo really be about to leave Real Madrid?

Could Cristiano Ronaldo really be about to leave Real Madrid?

সারাদেশ

Lady Gaga Pulled Off One of the Best Halftime Shows Ever

সারাদেশ
    দ্য রিপাবলিক বাংলা

    Copyright © 2026 The Republic Bangla.

    Navigate Site

    • Contact Us
    • About
    • গোপনীয়তা নীতি (Privacy Policy)

    Follow Us

    Welcome Back!

    Login to your account below

    Forgotten Password?

    Retrieve your password

    Please enter your username or email address to reset your password.

    Log In
    No Result
    View All Result
    • হোম
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • বিশেষ সংবাদ
    • খেলা
    • বিনোদন
    • সারাদেশ
    • বানিজ্য
    • নগর-মহানগর
    • অপরাধ

    Copyright © 2026 The Republic Bangla.