রিপাবলিক ডেস্ক:
তিন দিন আগে ১৫ বছর পূর্ণ করেছে বৈভব সূর্যবংশী। সতীর্থেরা কেক মাখিয়ে দেবে এই ভয়ে ২৬ মার্চ রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছিল বৈভব। জন্মদিনের পার্টি হয়নি সে দিন। বকেয়া থাকা পার্টিটা গুয়াহাটিতে করলেন। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের নির্দয় ভাবে শাসন করে।
ম্যাচের পর বৈভব ১৭ বলে ৫২ রানের ইনিংস নিয়ে বলেছে, ‘‘আলাদা কোনও পরিকল্পনা ছিল না। পাওয়ার প্লের সুবিধা কাজে লাগাতে চেয়েছি। শুরুর দিকে পিচ সহজ ছিল না। বল একটু থমকে ব্যাটে আসছিল। এক বার মনে হয়েছিল একটু রক্ষণাত্মক খেলব। কিন্তু দলের পরিকল্পনা ছিল পাওয়ার প্লেতেই ম্যাচ বের করে নেওয়ার। তাই সে ভাবেই খেলেছি।’’ দলের বোলারদের প্রশংসা করে বৈভব বলেছে, ‘‘আমরা চেন্নাইকে বেশ কম রানে আটকে রাখতে পেরেছি। এটা বোলারদের কৃতিত্ব। কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফেরা আমাকে সাহস দিয়েছেন। আমার পাশে রয়েছেন সকলে। প্রস্ততিও ভাল হয়েছে। তাই আগ্রাসী ব্যাটিং নিয়ে ভাবছি না। এখানে আমরা কয়েক দিন আগে চলে এসেছিলাম। আমাকে নিজের মতো ব্যাট করার স্বাধীনতা দিয়েছে দল। সেটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।’’
যশস্বী জয়সওয়াল কি কোনও পরামর্শ দিয়েছেন ব্যাট করার সময়? বৈভব বলেছে, ‘‘যশস্বী ভাই আমাকে প্রতিটা বলের পর উৎসাহ দিয়েছেন। খুচরো রান নিয়ে খেলতে বলেননি এক বারও। বলেছেন, বল যখন ব্যাটে আসছে, চালিয়েই খেল। আমি সে ভাবে চেষ্টা করেছি।’’
বৈভবের প্রশংসা করেছেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক রিয়ান পরাগের মুখেও। ম্যাচের পর তিনি বলেছেন, ‘‘বৈভবকে বলেছিলাম, নিজের মতো ব্যাট করতে। কে কী বলছে, তাতে কান না দিতে। ওকে নিজের মতো খেলতে দেওয়ার কথা বলেছিলাম কোচদেরও। অনুশীলনেও খুব ভাল ব্যাট করছিল। নিজের মতো খেলতে দিলে ও কী করতে পারে, সকলে দেখল।’’
টস জেতাকেও গুরুত্ব দিয়েছেন রিয়ান। তিনি বলেছেন, ‘‘টস খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিকালে বৃষ্টি হয়েছিল। লাল মাটির উইকেট। আমাদের বোলারেরা সেই সুবিধা খুব ভাল ভাবে কাজে লাগিয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য ট্রফি জেতা। ম্যাচ ধরে ধরে পরিকল্পনা করছি আমরা। আরও ভাল ক্রিকেট খেলতে চাই।’’
ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়ে খুশি নান্দ্রে বার্গারও। দলকে সাহায্য করতে পেরে তৃপ্ত। তাঁকে বেশি তৃপ্তি দিচ্ছে পরিকল্পনা করে বিপজ্জনক সঞ্জু স্যামসনকে আউট করতে পারা।
















