
বাংলাদেশের ওপর দিয়ে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে একটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আকারের দিক থেকে শৈত্যপ্রবাহটি মৃদু থেকে মাঝারী হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
ওই সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা গড়ে দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে। এ অবস্থায় ঘন কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাসে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
ইতোমধ্যেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে, যা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে।
তাপমাত্রা কমতে থাকায় বাড়ছে কুয়াশা, যার দাপট দেখা যাচ্ছে প্রকৃতিতে। ঘন কুয়াশার কারণের বুধবার ঢাকাসহ বেশিরভাগ জেলায় দুপুর পর্যন্ত সূর্যের মুখ পর্যন্ত দেখা যায়নি।
এর মধ্যেই বইছে হিমশীতল বাতাস, যার ফলে জনজীবন বেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
এদিকে, ঠাণ্ডা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে বাড়তে শুরু করেছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ। শিশু ও বৃদ্ধরাই এসব রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।
গত কয়েকদিনে ঢাকার আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রে (আইসিডিডিআরবি) ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগির সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
জেলা শহরগুলোতেও সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে শীতজনিত রোগ নিয়ে ভর্তি হওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানা যাচ্ছে।
বেশ কয়েকদিন বিরতির পর সারা দেশে আবারও শীত জেঁকে বসতে শুরু করেছে।

ঢাকাসহ প্রায় সব জেলায় লম্বা সময় ধরে ঘন কুয়াশা লক্ষ্য করা গেছে। ঠাণ্ডা বাতাসের সঙ্গে বেড়েছে শীতের তীব্রতাও।
অথচ শৈত্যপ্রবাহ এখনও শুরু হয়নি বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।
ইতোমধ্যেই ঢাকার তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকার ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে, শহরটির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ঢাকার বাইরের জেলাগুলোর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে ১২ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর চেয়ে সামান্য বেশি ছিল শ্রীমঙ্গলে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলোতেও তাপমাত্রা খুব একটা কমতে দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তারপরও জেলাগুলোতে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।
গত কয়েকদিন ধরেই যশোর, চুয়াডাঙ্গা, রাজশাহী, রংপুর, কুড়িগ্রাম, সিলেটসহ অনেক জেলায় তাপমাত্রা কমতে দেখা গেছে। সেখানকার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট নিয়ে অনেকে রোগী ভর্তি হচ্ছেন।
তবে কেবল শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কোথাও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।











